Posts

"পুরুষ সেক্রিফাইজ করে দাতা হয়" আর "নারী হয় দাসী"

Image
দেশের সিংহভাগ মেয়েরাই ফ্যামিলির সুখের জন্য বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে টাকাকে বিয়ে করতে হয়।আই রিপিট টাকাকেই বিয়ে করতে হয়।আমি বলছিনা আমাদের বাবা-মারা আমাদের ভালো চায়না।অবশ্যই আমাদের ভালো চায় তবে কিছু কিছু সময় সন্তানদের ভালো চাইতে গিয়ে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটাই ওনারা করে ফেলেন। . পুরুষ সমাজে সগৌরবে বলে থাকে পুরুষরাই জীবনে সবচেয়ে বেশি সেক্রিফাইজ করে।হ্যা আমিও মানি কারন পুরুষরা জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় তার পরিবারের জন্য বিসর্জন দেয় বা দিচ্ছে। . তারপরও পুরুষের স্বাধীনতা আছে।আপনার যাকে ইচ্ছে তাকে বিয়ে করতে পারবেন নিজের পছন্দমত।একটা মানুষ সব দিয়ে দিতে পারে তবে নিজেকে দিয়ে দেয়াটাই সবচেয়ে বড় বিসর্জন। . একটু ভালোভাবে খেয়াল করলেই দেখবেন ছোটবেলা থেকে ছেলে মেয়ে উভয়ই তাদের পছন্দমতো সব করে কাপড়-চোপড় থেকে শুরু করে সবটাই নিজের পছন্দে কিনে।আর সেটাই সে বেছে নেয় যেটা তার জন্য বেষ্ট।  . কিন্তু একটা মানুষ একটা মানুষের সাথে আজীবন এক বিছানায় থাকবে।মানুষটার সাথে পথ চলবে যখন ইচ্ছে মানুষটাকে ভোগ করবে আর সেই মানুষটাকে যদি পছন্দ করতে হয় পরিবারের কথা ভেবে তখন? . এত বড় বিসর্জন কখনো কোন পুরুষ করতে পারবেনা কারন পুরুষ সেক্...

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা "বীরঅলর ভূমি চাটগাঁ'

Image
উঁইন্নু না তোঁয়ারা হনোদিন সূর্যসেনঅর নাম? জীবন দিয়িল দেশঅর তরে প্রীতিলতা-ক্ষুদিরাম কেল্লা গাঁড়ি লড়াই গইজ্জি সৈনিক তিতুমীর, শহীদ অইয়েরে পরান দিয়ি চাটগাঁর হতো বিদ্রোহী মহাবীর প্রকৃতির প্রেমত মজি-গেই আঁই এই লাল সবুজুর দেশে, গান গায় গেইয়ি শেফালী-শ্যামসুন্দর আরো হতো ফইর-বাউল বেশে! থিয়েই আছে মঞ্চঅত আইজু জহুর আহমদ চৌধুরী বারবার উঁনি চাটগাঁর ইতিহাসত মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাণী! লালডির ময়দানত হান পাতিলি উঁনা যায়  বঙ্গবন্ধুর সেই তেজোদীপ্ত ভাষন ; ‘তোরা দেখিস, যেদিন আমার চট্টগ্রাম জাগবে সেদিনই  আমার বাঙালি জাগবে, আমার স্বাধীনতা আসবে, আমার বিজয় আসবে... যেই দেশত গুলিবিদ্ধ শেখ মুজিবুর দেহ, আশা ন গরি এডে কিয়ার আদর-প্রীতি স্নেহ! স্বপনত দেহি নিশী রাতিয়ে নব জোয়ান ময়দানে, মুক্তি তোয়ায় দিনুত রাজপথঅত মিছিলুর শ্লোগানে! লউর ঢেউ বাইয়ে বউত স্বাধীনতাহীন রণে, আপোষ নঅ গরে হনোদিন চাটগাঁয়াঅল শত্রু-অক্কুমুর সনে! ইউসুফ জোলেহার কাব্য'অত বাঁচি আছে কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর,  চাটগাঁইয়ে পুয়া-বুড়োর মনত গাঁথি আছে হতো সুর আব্দুল গফুর হালীর! একদিন মলই ঘোষ দস্তিদার গায়িল ; "অভাই আঁরা চাটগাঁইয়া নও জোয়ান দইজ্জের...

"পরীর সাথে দাদির কথপোকথন"

Image
দাদি : ও পরী,  ওওওওওওও  পরী?  পরী : হুম বলো দাদি শুনছি তো!  দাদি : এ্যাঁই, তুই নাকি প্রেম করিস?  পরী : হ্যাঁ করি তো, এটা তো এখন সবাই করে তাই আমিও করি! দাদি : প্রেমিক পুরুষ কিছু চায় তোর কাছে?  পরী : হুম চায় তো, চাইবেনা কেন, আমার কাছে না চাইলে আর কার কাছে চাইবে?  দাদি : ওওওও বুচ্ছি,  আচ্ছা, ও পরী,  কি কি  চায় রে তোর প্রেমিক পুরুষ?  পরী : ছেলেটা বড্ড নিরামিষ, একটু ভালোবাসা পেলেই তুষ্ট!  দাদি : তো সেটা কি, কিরাম ভালোবাসা রে?  পরী : এই তো ধরো, সকালে কাজে যাওয়ার আগেই আমার পক্ষ থেকে  একটা ফোন, কল অথবা একটা  শুভ সকাল জানিয়ে মেসেজ তাকে দিতেই হবে, এটা সে চায়! কখনো অসুস্থ হলে দিনে কয়েকবার তার খবর নিই এটা ও চায়, সে আরো চায়,রোজ তার খবর যেন আমি রাখি, অবশ্য একবারই তো বললাম বড্ড নিরামিষ, অল্পতেই তুষ্ট! প্রেমিক সামলাতে আমার একদম হিমশিম খেতে হয়না মুটেও! খুব স্বাভাবিক একটা মানুষ, মনটাও ভিষণ বড়ো! আমার মায়ের চয়েস আছে সেটা বলতেই হয়! দাদি : কি বললি, তোর মায়ের চয়েস মানে? এ আবার কিরাম কথা রে বাবা!  আচ্ছা বাদ দে।  তো...

অ'বা তুই নাই বলে (ডায়েরি থেকে)

Image
অ'বা তুই নেই বলে...          খুব প্রভাতে, আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম বলে  যখন মুয়াজ্জিনের আযানের ধ্বণি ভেসে আসে! তখন কেউ আর বলেনা অডা অ'পুত উঠি যা, নামাজ পড়ে একটু হেঁটে আই! আমি ২০০ টাকা দিলে কেউ আর  ৫০০ টাকার বাজার করে নিয়ে আসে না, *দুপুরে ভাত খেতে বাসায় না গেলে কেউ দোকানের সামনে এসে জিজ্ঞেস করে না; "অ'বা অ'পুত ভাত হাতি'কা ন য'অস" আমি তোর জন্য পছন্দের মাছ নিয়ে গেছি😭 শুধু তুই নেই বলে 'অ'বা' তুই নেই বলে 'মা' বিধবার সাজে হয়ে গেছে নিথর নিশ্চুপ, আত্মীয়-স্বজন আর বোনরাও কেউ আসেনা আগের মত আমাদের কাছে তুই অ'বা নেই বলে! অ'বা তোরে মনে পড়ে রেখে যাওয়া হাজার স্মৃতির ভিড়ে! যখনই তোর রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলোর দিকে তাকাই মনে হয় তুই আছিস! যখন খাঁ মসজিদে যাই, প্রথম কাতারের ডান দিকে আমার চোখ চলে যায়, মনে হয় তুই মাথা ঝুঁকে বসে আছিস, মনে হয় এই তো আমার চোখে চোখ পড়ে যাবে তোর...  কিন্তু অকস্মাৎ যখনই মনে পড়ে তুই নেই ব্যাথায় বুকটা যায় ভেঙ্গে! বলত অ'বা কোন দোষে তুই? আমাদের ফেলে গেলি একাকী  ঐ দূর আকাশে! চির বিদায় দিয়ে এ নশ্বর পৃথিবীকে! তুই ...

গল্পটা টাকার নয় 'সততার'

Image
বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে যাওয়া/চলে আসা নতুন কিছু নয় আমার সাথে! ভুলক্রমে আমার অনেক টাকা লস দিতে হয়েছে, আমার জীবনে শুধু একবার ভুলে ভুল নাম্বারে চলে যাওয়া ১০,২০০ টাকা নোয়াখালীর একজন ব্যক্তি ১২০০ রেখে বাকি ৯০০০ টাকা ফেরত দিয়েছেন (অবশ্য আমি বলছিলাম ৫০০ টাকা রেখে দিতে) তাও উনার প্রতি আমি এখনো কৃতজ্ঞ... গত ১১ সেপ্টেম্বর আমার পারসোনাল বিকাশ নাম্বারে ২০,৪০০ টাকা ঢুকলো, স্বাভাবিকভাবেই আমি মনে করছি পরিচিত কারো টাকা, পরে খোঁজ করবে! একদিন পর, ১২ সেপ্টেম্বর, সকাল ১১টার দিকে অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসলো একটা মেয়ে কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বললো,- আসসালামু আলাইকুম, ভুলে আপনার নাম্বারে ২০ হাজার টাকা চলে গেছে, (খুব বিনয়ের সাথে বললো কান্নার জন্য কথা বলতে পারছে না! আমি বললাম,- আপনি কাঁদছেন কেনো? আপনার টাকা এসে থাকলে পেয়ে যাবেন, আপনি কোত্থেকে বলতেছেন? মেয়েটা বললো,- শরিয়তপুর, আমি বললাম,- আমি ব্যালেন্স টা একটু চেক করে আপনাকে ফোন দিচ্ছি! দোকানে কেউ না থাকায় আমি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পরি, ততক্ষণে মেয়েটা শখানেক কল দিয়েই যাচ্ছে,! কল রিসিভ করার পর, মেয়েটা বললো,- ভাইয়া টাকা টা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা নাম্বারে পাঠা...

বাবার সাথে ঘুরেবেড়ানো ছোটবেলার অন্যন্য এক স্মৃতি (ডায়েরি থেকে)

কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ প্রথম যাওয়ার স্মৃতি টাও বাবার সাথে... ২০০২ কিংবা ২০০৩ সাল, আমার বয়স ৭ কিংবা ৮ বছর, জুমাবার, মুষলধারে বৃষ্টির হচ্ছে, আমি, বাবা, মা, ফুফু, ফুফাতো ভাই (সালাউদ্দিন, মহিন ভাইয়া), এসকান্দর মামা, জিপ থেকে নেমে বাবা আমাকে একহাতে বুকে জড়িয়ে নিলো আরেকহাতে মাথায় ছাতা ধরে হেঁটে চললো দরবার শরীফের দিকে! দরবার শরীফে পৌঁছার পর বাবা, এসকান্দর মামা, মহিন ভাইয়া মসজিদে চলে গেলো, আমি আর সালাউদ্দিন মা আর ফুফুর সাথে 'কাতিব মঞ্জিলে' চলে গেলাম, সেখানে ফাতেমায়ে ছানী জামানার রাবেয়া বসরী রূহানী আম্মাজান (রহঃ) এর চরণ যুগল ছুঁয়ে ধন্য হলাম, *সে বছর 'গাউছুল আজম রাদিআল্লাহু আনহু' দরবার শরীফে ছিলেন না দেশের বাইরে ছিলেন... সেদিন বিকেল বেলা বৃষ্টি থামলো, বাবা হাত ধরে আমাকে দরবার শরীফের পশ্চিমে হালদা নদীর তীরে (আজিম্মের ঘাট) নিয়ে গেলো, আমার এখনো স্পষ্ট মনে পড়ছে বাবা আমাকে বলছে * 'আঁর পুয়ারে বড়ো মাছঅর খেলা দেহাইয়ুম' অর্থাৎ সে ঘাটে ডলফিনের আনাগোনা থাকতো এর পর যখনই দরবার শরীফে যেতাম ওদিকে গিয়ে ডলফিনের খেলা দেখতাম! *বাবা কর্ণফুলী জুটমিলে কর্মরত থাকাকালীন,  কর্ণফুলী জ...

সে এক 'ছায়ার' কথা বলছি, বলছি বাবার কথা (ডায়েরি থেকে)

আমার একটা গাছ ছিলো; গাছটি আমাকে ছায়া দিতো বাতাস দিতো, অক্সিজেন দিতো! একদিন আচমকা এক ঝড়ো হাওয়ায়  'গাছ'টা হারিয়ে গেলো... এখন আমার মাথার উপরের ছায়া নেই, জীবনের প্রচণ্ড তাপে বাতাস নেই, আমার অক্সিজেন কই? আমার গাছটা নেই... *আমার বুকটা দীর্ঘশ্বাসে ভারি হয়ে আসছে... *‘ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আমানুসতাঈনু বিসসবরি ওয়াস সলাতি; ইন্নাল্লাহা মাআস সাবিরিন... #আঁর_বাপ #নোট১১