Posts

Showing posts from May, 2014

"যদি আমার হাতে রাখ হাত"

লিখা__ এস এইচ রুবেল যদি আমার হাতে রাখ হাত, খালি পায়ে হেঁটে যাব কাঁশফুলের পাশ ঘেঁষে দিগন্ত ছোঁয়া নদীর তীর ধরে বহুদূর; বহু ক্রোশ পথ। সোনালি সূর্যের রোদেলা আলোয় তোমার পায়ে মাখা বালুকণা হবে রূপালি নূপুর। আমাদের যুগল চলায় লাজুক কাঁশফুল তারা হয়ে রবে তোমার মেঘ রং এলোচুলের খোঁপায়। নুড়ি দিয়ে আমারই গাঁথা মালা তুমি পরবে গলায়।

শিরোনামহীন কবিতা

অনেকদিন দেখা হবে না তারপর একদিন দেখা হবে। দু’জনেই দু’জনকে বলবো, ‘অনেকদিন দেখা হয়নি’। এইভাবে যাবে দিনের পর দিন বৎসরের পর বৎসর। তারপর একদিন হয়ত জানা যাবে বা হয়ত জানা যাবে না, যে তোমার সঙ্গে আমার আর দেখা হবে না।

নীল জোছনা

লিখা__ এস এইচ রুবে   নীল জোছনা কুড়িয়ে এলেম তোর-ই উঠোনটায় , দরজা খুলে আয় বেরিয়ে- ভিজবি জোছনায় । ইচ্ছে যত তোর-ই মনে নীল জোছনায় কিনে তোর আকাশে জোছনা রঙে স্বপ্ন দেব বুনে । কল্পলোকের গল্প যত হয়নি আজও লেখা , তোর উঠোনে হবে সবই নীল জোছনায় আঁকা । মনের গহীন অতল জলে করিস যেথায় খেলা , সেথায় আমি ভাসিয়ে দেব নীল জোছনার ভেলা । আয় বেরিয়ে- আয় না ওরে জোছনা ফুরায় যায় , আর কত কড়া নাড়ব দ্বারে- থাকবো অপেক্ষায় !!

শিরোনামহীন কবিতা

লিখা__ এস এইচ রুবে   পৃথিবীটা তোমারি থাক, পারলে একটু নীল দিও। আকাশটা তোমারি থাক, পারলে একটু তারা দিও। মেঘটা তোমারি থাক, শুধু একটু ভিজতে দিও। মনটা তোমারি থাক, পারলে একটু জায়গা দিও ॥

বলনা তুই কি হবি?

লিখা__ এস এইচ রুবে   তুই কি আমার জোছনা রাতের ফুটফুটে এক চাঁদ হবি? আলোর ভেলায় ভাসিয়ে দিবি! তুই কি আমার শুন্য দ্বারে কালবৈশাখী ঝড় হবি? মনের যত দুঃখ আছে উড়িয়ে দিবি! তুই কি আমার বয়ে যাওয়া কলকলে এক ঝর্ণা হবি? আমায় উষ্ণ-শীতল পরশ দিবি? তুই কি আমার বাউল মনের একতারারই সুর হবি? সুরের মায়ায় সব ভুলিয়ে দিবি! তুই আমার আঁধার রাতের মিটমিটিয়ে জোনাক হবি? আলোয় আলোয় ভাসিয়ে দিবি! তুই কি আমার শীতল বুকে জলন্ত এক আগুন হবি? এক নিমিষেই সব হিমকে গলিয়ে দিবি! বলনা তুই কি হবি?

একগুচ্ছ কদমফুল

Image
লিখা__ এস এইচ রুবে   তুমি চাইতেই পার আজ এই বাদল দিনে তোমার পাশে আমার হাত, তা হোক সকাল দুপুর অথবা রাত। তুমি হতেই পার বৃষ্টি বিলাসি, করতেই পার নগ্ন পায়ে নৃত্য। চাইতেই পার কিছু স্বাধীনতা, ভেঙ্গে ফেলে সব বৃত্ত। তুমি চাইতেই পার আমার সাথে আজ ভিজবে তুমুল, ডাকলেই আসব আমি হাতে থাকবে একগুচ্ছ কদমফুল।

এক চোখ ভালবাসার জন্য''

লিখা__ এস এইচ রুবে ............................. এক চোখ ভালবাসার জন্য সভ্যতার উজ্জ্বলতায় প্রযুক্তি পন্য নির্বিকার সমকালীন আস্ফালনে অন্তর্গত প্রশংসিত পচনে এক চোখ অচেনা স্বপ্ন। রুগ্নতার চোরাপথে পিপাসিত নীল কষ্টের পাশেই তার প্রলোভন, স্বান্তনায় বনস্পতির বিলুপ্ত পালক। এটুকু জীবনে আর কত ভুল নির্মাণ? এই আত্মহনন যজ্ঞে আর কত অঞ্জলী? স্বার্থের টেক্কায় তুমি বল অমোঘ নিয়তি- বুক ভরে থাকা মিথ্যের সঞ্চয়- ধোঁয়া জালের ভ্রষ্ট- হেমলকের বিষ- তোমার আমার গাল-গল্পের ইতি। শক্তির নামে আফিমের খেলা অন্ধতার অন্য ভূগোলে বিষুবরেখা- শুধু এক চোখ ভালবাসার জন্য স্পর্শহীন করতলে আমি- নগ্ন পায়ের বিষাদে আমি- ক্লান্তির প্রতিচ্ছায়ায় শুধু এক চোখ ভালবাসার জন্য।। 'আকাশ'

এস এইচ রুবেল''

Image
''কিছুইতো চাইনি,তবে জিবোন কেনো না পাওয়ার হিসেবে ভরপুর....তবে কি,আমরা জিবোনের কাছে বারংবার হেরে যাই.....

ভালবাসা কখনো অসমাপ্ত থাকে না''

ভালবাসা কখনো অসমাপ্ত থাকে না, আসলে ভালবেসে মানুষ কাউকে জীবন সঙ্গী না করতে পারলে তাকে অসমাপ্ত ভালবাসা বলে। যা বলাটা উচিত বা ঠিক কোনোটাই না, কারণ, ভালোবাসা কখনো থেমে থাকেনা, ভালবাসার কোনও সমাপ্তি নেই, মনের মাঝে ভালোবাসার মানুষ সবসমই বসবাস করে, কাছে দূরে যেখানেই থাকুক না সেই মানুষ টি।

স্বপ্নের আকাশে তুমি''

Image
স্বপ্নের আকাশে তুমি যে মোর প্রিয়া দেখি তাই তোমারে দু চোখ ভরিয়া মনের পিপাসা ভুলাই তারে চেয়ে তুমি যে আমার অতি আপনার প্রিয়ে দু হাত তুলিয়া চাহি আকাশ পানে আছ তুমি যদিও আমারি প্রাণে দু চোখ ভরিয়া দেখি তোমার’ ই ছবি হৃদয়ে মোর আছে যে তোমার ই ছবি নির্জন নিশীথের তুমি যে তারা নিস্পাপ হৃদয়ের তুমি সুক্তারা........॥

''এস এইচ রুবেল''

Image
আমার ভালোবাসায় সুখের নিজের কনো রহসৌ নেই,যা আছে কেবল দু:খের রাজতৌ,তবুও আমি বেচেঁ আছি,আমি আমার ছায়া,এবং বেশ কিছু চাদেঁর আলো....

যে কথা হয়নি বলা''

যে কথা হয়নি বলা'' লিখা__ এস এইচ রুবেল আমি যাবার আগে তোমায় বলে যাব যে কথা তোমায় হয়নি বলা মনের ভেতর পুষে রাখা অব্যক্ত কথামালা। যে কথা তোমায় হয়নি বলা বলিব আজিকে তাই আনমনাভাবে চেয়ে থাকি দু চোখ যেদিকে যায়। যাবার আগে তোমায় বলে যাব শালিক ডাকা ভোরে জানালা দিয়ে তোমায় দেখতাম থাকতাম যখন ঘরে। অস্থির অস্থির ভাব,মনের ভেতর অশান্তি বুকের ভেতরের আগ্নেয়গিরি উত্তপ্ত কে যেন ভেতরের অনুভূতিগুলোকে জ্বালিয়ে যায়, যে কথা তোমায় হয়নি বলা বলিব আজিকে তাই। যখন একা একা থাকি দেখি ছোটদের খুনসুটি চাঁদনী রাতে জোৎস্না বলে নিয়ে যাও মুঠি মুঠি। মাখিয়ে দিও তোমার প্রিয়ার সমস্ত অঙ্গে, ইচ্ছে করে ভাব করে যায় তোমার সঙ্গে। শিউলী ফোটা সন্ধেবেলা যে কথা হয়নি বলা, বলিব আজিকে তাই আনমনাভাবে চেয়ে থাকি দু 'চোখ যেদিকে যায়। কখনো তোমায় বলবনা তুমি সর্বনাশী, অবশেষে বলে দিলাম তোমায় ভালবাসি।

''মেঘ ছায়া আর প্রজাপতির ডানা''

মেঘ ছায়া আর প্রজাপতির ডানা সাত রং মেখে করতো আনেক খেলা হঠাৎ একদিন ঝড় হলো মেঘের ছায়া উড়ে গেলো প্রজাপতি হারিয়ে গেলো আকাশ তখন দুঃখ পেয়ে জুড়ে দিল কান্না রংধনু সব লুকিয়ে গেলো ভাসিয়ে দিয়ে বন্যা আবার একটি সকাল হলো প্রজাপতি ফিরে এলো মেঘ ছায়কে না পেয় রংধনু কে না দেখে জুড়ে দিল কান্না সূরযো তখন হেসে বলে করছো কেনো বাইনা এই তো আমি সাথী তোমার এই বার হাসোনা

তবে কেন মিছে ভালোবাসা

ভালোবেসে যদি সুখ নাহি তবে কেন, তবে কেন মিছে ভালোবাসা । মন দিয়ে মন পেতে চাহি । ওগো কেন, ওগো কেন মিছে এ দুরাশা । হৃদয়ে জ্বালায়ে বাসনার শিখা, নয়নে সাজায়ে মায়া-মরীচিকা, শুধু ঘুরে মরি মরুভূমে । ওগো কেন, ওগো কেন মিছে এ পিপাসা । আপনি যে আছে আপনার কাছে, নিখিল জগতে কী অভাব আছে । আছে মন্দ সমীরণ, পুষ্পবিভূষণ, কোকিল-কূজিত কুঞ্জ । বিশ্বচরাচর লুপ্ত হয়ে যায়, এ কী ঘোর প্রেম অন্ধ রাহুপ্রায় জীবন যৌবন গ্রাসে । তবে কেন, তবে কেন মিছে এ কুয়াশা । ___ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখা__ এস এইচ রুবেল  

লিখা__এস এইচ রুবেল

এমন একটা সকাল নেই পাখিরা জাগেনি,ফুল ফোটেনি। অথচ এমন একটা রাত এখনো আসেনি ... দুচোখ ভরে ঘুমিয়েছি আমি! আকাশ ভরা সূর্যদয় আমি চাইনি; বখাটে নদীটাকে ভুলে যেতে চাই। দুচোখে স্ব্প্ন দেখতে চাই, আবার আমি বেঁচে উঠতে চাই। ___ এস এইচ রুবেল

"শুধু তোমার জন্য"

"শুধু তোমার জন্য" ___নির্মলেন্দু গুণ লিখা__ এস এইচ রুবেল কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন। তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও কতবার যে আমি সে কথা বলিনি সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন। তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ ‘এই ওঠো, আমি, আ…মি…।‘ আর অমি এ-কী শুনলাম এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন। আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য, আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য, আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য। তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে, আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।

লিখা__এস এইচ রুবেল

বৃষ্টির ছাঁটে শিহরিত হয় দেহ কেউ বলে আমি কবি কি না সন্দেহ তবু তো কবিতা আমাকে ঘিরেই নাচে নাচুনে মেয়ের মতোই সেও কি বাঁচে? বৃষ্টির কণা ফণা ধরে আছে পথে পথ কই বলো রথ থেমে আছে ঘাটে এ খেলার মাঠে সূর্য নেমেছে পাটে। কেবল আমার মুখেই লালের তুলি তুমিও দাঁড়ালে, নাচবে কি চুল খুলি তবে শুরু করো নৃত্যের আয়োজন নাচো দিল খুলে নাচো খুলে প্রাণ-মন। __ এস এইচ রুবেল

"পাগলী, তোমার সঙ্গে"

"পাগলী, তোমার সঙ্গে" ____জয় গোস্বামী লিখা__ এস এইচ রুবেল পাগলী, তোমার সঙ্গে ভয়াবহ জীবন কাটাব পাগলী, তোমার সঙ্গে ধুলোবালি কাটাব জীবন এর চোখে ধাঁধা করব, ওর জল করে দেব কাদা পাগলী, তোমার সঙ্গে ঢেউ খেলতে যাব দু'কদম। অশান্তি চরমে তুলব, কাকচিল বসবে না বাড়িতে তুমি ছুঁড়বে থালা বাটি, আমি ভাঙব কাঁচের বাসন পাগলী, তোমার সঙ্গে বঙ্গভঙ্গ জীবন কাটাব পাগলী, তোমার সঙ্গে ৫২ কাটাব জীবন। মেঘে মেঘে বেলা বাড়বে, ধনে পুত্রে লক্ষ্মী লোকসান লোকাসান পুষিয়ে তুমি রাঁধবে মায়া প্রপন্ঞ্চ ব্যন্জ্ঞন পাগলী, তোমার সঙ্গে দশকর্ম জীবন কাটাব পাগলী, তোমার সঙ্গে দিবানিদ্রা কাটাব জীবন। পাগলী, তোমার সঙ্গে ঝোলভাত জীবন কাটাব পাগলী, তোমার সঙ্গে মাংসরুটি কাটাব জীবন পাগলী, তোমার সঙ্গে নিরক্ষর জীবন কাটাব পাগলী, তোমার সঙ্গে চার অক্ষর কাটাব জীবন। পাগলী, তোমার সঙ্গে বই দেখব প্যারামাউন্ট হলে মাঝে মাঝে মুখ বদলে একাডেমি রবীন্দ্রসদন পাগলী, তোমার সঙ্গে নাইট্যশালা জীবন কাটাব পাগলী, তোমার সঙ্গে কলাকেন্দ্র কাটাব জীবন। পাগলী, তোমার সঙ্গে বাবুঘাট জীবন কাটাব পাগলী, তোমার সঙ্গে দেশপ্রিয় কাটাব...

“হায় চিল"

“হায় চিল" __জীবনানন্দ দাশ লিখা__ এস এইচ রুবেল হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে তুমি আর কেঁদোনাকো উড়ে উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে! তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে। পৃথিবীর রাঙ্গা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে; আবার তাহারে কেন ডেকে আনো? কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে! হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে তুমি আর কেঁদোনাকো উড়ে উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে!

"তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা"

"তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা" ____শহীদ কাদরী   লিখা__ এস এইচ রুবেল   ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে মার্চপাস্ট করে চলে যাবে এবং স্যালুট করবে কেবল তোমাকে প্রিয়তমা। ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো বন-বাদাড় ডিঙ্গিয়ে কাঁটা-তার, ব্যারিকেড পার হয়ে, অনেক রণাঙ্গনের স্মৃতি নিয়ে আর্মার্ড-কারগুলো এসে দাঁড়াবে ভায়োলিন বোঝাই করে কেবল তোমার দোরগোড়ায় প্রিয়তমা। ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো- বি-৫২ আর মিগ-২১গুলো মাথার ওপর গোঁ-গোঁ করবে ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো চকোলেট, টফি আর লজেন্সগুলো প্যারাট্রুপারদের মতো ঝরে পড়বে কেবল তোমার উঠোনে প্রিয়তমা। ভয় নেই...আমি এমন ব্যবস্থা করবো একজন কবি কমান্ড করবেন বঙ্গোপসাগরের সবগুলো রণতরী এবং আসন্ন নির্বাচনে সমরমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সবগুলো গণভোট পাবেন একজন প্রেমিক, প্রিয়তমা! সংঘর্ষের সব সম্ভাবনা, ঠিক জেনো, শেষ হবে যাবে- আমি এমন ব্যবস্থা করবো, একজন গায়ক অনায়াসে বিরোধীদলের অধিনায়ক হয়ে যাবেন সীমান্তের ট্রেঞ্চগুলোয় পাহারা দেবে সারাটা বৎসর লাল নীল সোনালি মাছি...

“মন ভালো নেই"

“মন ভালো নেই" __মহাদেব সাহা লিখা__ এস এইচ রুবেল বিষাদ ছুঁয়েছে আজ, মন ভালো নেই, মন ভালো নেই; ফাঁকা রাস্তা, শূন্য বারান্দা সারাদিন ডাকি সাড়া নেই, একবার ফিরেও চায় না কেউ পথ ভুল করে চলে যায়, এদিকে আসে না আমি কি সহস্র সহস্র বর্ষ এভাবে তাকিয়ে থাকবো শূন্যতার দিকে? এই শূন্য ঘরে, এই নির্বসনে কতোকাল, আর কতোকাল! আজ দুঃখ ছুঁয়েছে ঘরবাড়ি, উদ্যানে উঠেছে ক্যাকটাস্ত কেউ নেই, কড়া নাড়ার মতো কেউ নেই, শুধু শূন্যতার এই দীর্ঘশ্বাস, এই দীর্ঘ পদধ্বনি। টেলিফোন ঘোরাতে ঘোরাতে আমি ক্লান্ত ডাকতে ডাকতে একশেষ; কেউ ডাক শোনে না, কেউ ফিরে তাকায় না এই হিমঘরে ভাঙা চেয়ারে একা বসে আছি। এ কী শান্তি তুমি আমাকে দিচ্ছো ঈশ্বর, এভাবে দগ্ধ হওয়ার নাম কি বেঁচে থাকা! তবু মানুষ বেঁচে থাকতে চায়, আমি বেঁচে থাকতে চাই আমি ভালোবাসতে চাই, পাগলের মতো ভালোবাসতে চাই- এই কি আমার অপরাধ! আজ বিষাদ ছুঁয়েছে বুক, বিষাদ ছুঁয়েছে বুক মন ভালো নেই, মন ভালো নেই; তোমার আসার কথা ছিলো, তোমার যাওয়ার কথা ছিল- আসা-যাওয়ার পথের ধারে ফুল ফোটানো কথা ছিলো সেসব কিছুই হলো না, কিছুই হলো না; আমার ভেতরে শুধু এক কোটি বছর ধরে অশ্...

“যাতায়াত”

“যাতায়াত” _____হেলাল হাফিজ লিখা__ এস এইচ রুবেল র কেন এমন হলো। কেন আমার দিন কাটে না রাত কাটে না রাত কাটে তো ভোর দেখি না, কেন আমার হাতের মাঝে হাত থাকে না; কেউ জানেনা। নষ্ট রাখীর কষ্ট নিয়ে অতোটা পথ একলা এলাম পেছন থেকে কেউ বলেনি করুণ পথিক দুপুর রোদে গাছের নিচে একটু বসে জিরিয়ে নিও, কেই বলেনি ভালো থেকো সুখেই থেকো। যুগল চোখে জলের ভাষায় আসার সময় কেউ বলেনি মাথার কসম আবার এসো। জন্মাবধি ভেতরে এক রঙিন পাখি কেঁদেই গেলো শুনলো না কেউ ধ্রুপদী ডাক, চৈত্রাগুনে জ্বলে গেলো আমার বুকের গেরস্থালি বললো না কেউ তরুন তাপস এই নে চারু শীতল কলস। লন্ডভন্ড হয়ে গেলাম তবু এলাম। ক্যাঙ্গারু তার শাবক নিয়ে যেমন করে বিপদ পেরোয় আমিও ঠিক তেমনি করে সভ্যতা আর শুভ্রতাকে বুকে নিয়েই দুঃসময়ে এতোটা পথ একলা এলাম শুশ্রূষাহীন। কেউ ডাকেনি তবু এলাম, বলতে এলাম ভালোবাসি।

‘‘শুভঙ্করের কাছে নন্দিনীর চিঠি-১১’’

‘‘শুভঙ্করের কাছে নন্দিনীর চিঠি-১১’’ ___পূর্ণেন্দু পত্রী লিখা__ এস এইচ রুবেল তুমি সত্যিই ডোবাবে আমাকে একদিন। লাল ঠোঁট নিয়ে বাড়ি থেকে বেরোলে লাল ঠোঁট নিয়েই বাড়ি ফেরা ঊচিত আর না ফিরলে সেই ফ্যাকাশে ঠোঁটের দিকে শুরু হয়ে যেতে পারে লাল চোখের তল্লাশী, এটা কি পেরেক মেরে ঢোকাতে হবে আপনার মগজে? শুভঙ্কর, প্লীজ! ডাকাতেপনাটা একটু কমাও। নির্বাসনদন্ডে গেলে তোমার ছেনী-হাতুড়ি ভাস্কর্য গড়বে কার পাথরে? [কাব্যগ্রন্থঃ কথোপকথন]

‘‘তুলনামূলক হাত’’

‘‘তুলনামূলক হাত’’ ___নির্মলেন্দু গুণ লিখা__ এস এইচ রুবেল তুমি যেখানেই স্পর্শ রাখো সেখানেই আমার শরীর৷ তোমার চুলের ধোয়া জল তুমি যেখানেই খোঁপা ভেঙ্গে বিলাও মাটিকে; আমি এসে পাতি হাত, জলভারে নতদেহ আর চোখের সামগ্রী নিয়ে ফিরি ঘরে, অথবা ফিরি না ঘরে, তোমার চতুর্দিকে শূন্যতাকে ভরে থেকে যাই৷ তুমি যেখানেই হাত রাখো, যেখানেই কান থেকে খুলে রাখো দুল, কন্ঠ থেকে খুলে রাখো হার, সেখানেই শরীর আমার হয়ে ওঠে রক্তজবা ফুল৷ তুমি যেখানেই ঠোঁট রাখো সেখানেই আমার চুম্বন তোমার শরীর থেকে প্রবল অযত্নে ঝরে যায়৷ আমি পোকা হয়ে পিচুটির মতো তোমার ঐ চোখের ছায়ায় প্রতিদিন খেলা করে যাই, ভালোবেসে নিজেকে কাঁদাই৷ তুমি শাড়ির আঁচল দিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দিলে আমি রথ রেখে পথে এসে তোমারই দ্বৈরথে বসে থাকি তোমার আশায়৷ তুমি যেখানেই হাত রাখো আমার উদগ্রীব চিত্র থাকে সেখানেই৷ আমি যেখানেই হাত পাতি সেখানেই অসীম শূন্যতা, তুমি নেই

আসমানী.... লিখা__এস এইচ রুবেল

আসমানী আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমন্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির বাসা-ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি। একটুখানি হওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে, তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে। পেটটি ভরে পায় না খেতে, বুকের ক’খান হাড়, সাক্ষী দেছে অনাহারে কদিন গেছে তার। মিষ্টি তাহার মুখটি হতে হাসির প্রদীপ-রাশি থাপড়েতে নিবিয়ে গেছে দারুণ অভাব আসি। পরণে তার শতেক তালির শতেক ছেঁড়া বাস, সোনালী তার গার বরণের করছে উপহাস। ভোমর-কালো চোখ দুটিতে নাই কৌতুক- হাসি, সেখান দিয়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু রাশি রাশি। বাঁশীর মত সুরটি গলায় ক্ষয় হল তাই কেঁদে, হয়নি সুযোগ লয় যে সে-সুর গানের সুরে বেঁধে। আসমানীদের বাড়ির ধারে পদ্ম-পুকুর ভরে ব্যাঙের ছানা শ্যাওলা-পানা কিল-বিল-বিল করে। ম্যালেরিয়ার মশক সেথা বিষ গুলিছে জলে, সেই জলেতে রান্না খাওয়া আসমানীদের চলে। পেটটি তাহার দুলছে পিলেয়, নিতুই যে জ্বর তার, বৈদ্য ডেকে ওষুধ করে পয়সা নাহি আর। খোসমানী আর আসমানী যে রয় দুইটি দেশে, কও তো যাদু, কারে নেবে অধিক ভালবেসে?

এস এইচ রুবেল

আচ্ছা তুমি কখনো রাতের কান্না শুনেছ আঁধারে কান পেতে ? কখনো দেখেছো নক্ষত্রের নীরব ঝরে যাওয়া ? তুমি এই বুকের গহিনে খুঁজে দেখেছো ? অভিমানের আড়ালে রাখা অফুরন্ত ভালোবাসা টুকু ? যা শুধুই তোমার জন্য । -------- এস এইচ রুবেল

‘‘প্রেম ও পরিণয়’’

‘‘প্রেম ও পরিণয়’’ – শিমুল মোস্তফা    লিখা__ এস এইচ রুবেল তুমি আমায় ভালোবাসতেই আমি তোমার চোখকে ছুঁ’লাম। তুমি আমায় ভালোবাসতেই আমি তোমার ঠোঁটকে ছুঁ’লাম। তুমি আমায় ভালোবাসতেই আমি তোমায় স্পর্শে নিলাম। তুমি আমায় ভালোবাসতেই আমি তোমায় ছোবল দিলাম। তুমি আমায় ভালোবাসতেই আমি তোমায় আদর দিলাম। তুমি আমায় ভালোবাসতেই অপূর্ব এক ঘর বানালাম। আমি তোমায় ভালোবাসতেই তুমি আমার কাছে এসে বললে- “ওগো প্রেমের জন্য পরিণয় পরিণয়ের জন্য প্রেম নয়”।

গল্প বলা

গল্প বলা – সুকুমার রায় লিখা__ এস এইচ রুবেল “এক যে রাজা”–”থাম্ না দাদা, রাজা নয় সে, রাজ পেয়াদা৷” “তার যে মাতুল”–”মাতুল কি সে?— সবাই জানে সে তার পিশে” “তার ছিল এক ছাগল ছানা”— “ছাগলের কি গজায় ডানা?” “একদিন তার ছাতের ‘পরে”— “ছাত কোথা হে টিনের ঘরে?” “বাগানের এক উড়ে মালী”— “মালী নয়তো! মেহের আলী৷” “মনের সাধে গাইছে বেহাগ”— “বেহাগ তো নয়! বসন্ত রাগ৷” “থও না বাপু ঘ্যাঁচা ঘেঁচি”— “আচ্ছা বল, চুপ করেছি৷” “এমন সময় বিছনা ছেড়ে, হঠাৎ মামা আস্‌ল তেড়ে, ধর্‌ল সে তার ঝুঁটির গোড়া”— “কোথায় ঝুঁটি? টাক যে ভরা৷” “হোক না টেকো তোর তাতে কি? লক্ষীছাড়া মুখ্যু ঢেঁকি! ধর্‌ব ঠেসে টুঁটির ‘পরে, পিটব তোমার মুণ্ড ধ’রে— কথার উপর কেবল কথা, এখন বাপু পালাও কোথা?”

লিখা_এস এইচ রুবেল

একদিন, বিবেকের দুয়ারে শব্দকরেজিজ্ঞাসিলাম-ভালবাসা কারে কয় ?বিবেক বলিল, ওহে শরণার্থী-ভালবাসা কি কোন শব্দ হয় ?আমি বলিলাম, শুন হে বিবেক –ভালবাসার নামে মানুষ অন্ধপ্রায়...হাসিল বিবেক, উপহাসে বলিল-ভালবাসা শব্দেরঠিকানা কোথায় ?আমি বলিলাম- অন্তরে, বুকে,বুকের মাঝে যেথা হৃদয় থাকে...অট্যহেসে বিবেক বলিল-এত সব শব্দতুমি পেলে কোত্থেকে ?বলিলাম কেন ?তোমার রাজ্যে কি অন্তর নেই ?বুকের মাঝে রয়েছে যে হৃদয়,তোমার র াজ্যে কি এর বিশ্বাসনেই ?বিবেক বলিল,আমি ক্ষুধা পেলে খাদ্যচাই,মোহ দেখিলে, তার অর্জন চাই...ভোগের পর সেই মোহ ভুলে যাই,আর পথ চলি নতুন মোহের আশায় !!আমি বলিলাম,লজ্যা দিলে হে বিবেক !বিবেক বলিল- বন্ধ কর,হয়েছে তো অনেক...আবারও বলিলাম,লজ্যা দিলে হে বিবেক !আবারও শুনিলাম- বন্ধ কর,হয়েছে অনেক...আমি হতবাক, কিছুটা নির্বাক...নিশ্চুপে চেয়ে থাকি বিবেকেরদিকে!কিংকর্তব্য বিমূর যেন,মনে হলো আজচেয়ে চারিদিকে...

এস এইচ রুবেল

Image
ভালোবাসি ভালোবাসি এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাজায় বাঁশি ভালোবাসি ভালোবাসি আকাশে কার বুকের মাঝে ব্যথা বাজে দিগন্তে কার কালো আঁখি আঁখির জলে যায় ভাসি ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি সেই সূরে সাগর কূলে বাঁধন খুলে অতল রোদন উঠে দুলে সেই সূরে সাগর কূলে বাঁধন খুলে অতল রোদন উঠে দুলে সেই সুরে বাজে মনে অকারনে ভুলে যাওয়া গানের বাণী ভোলা দিনের কাঁদন কাঁদন হাসি....... ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি.... !

এস এইচ রুবেল

নষ্ট মেয়ের নষ্ট হওয়ার কথা হয়েছে চাউর পাড়ায় বেরিয়েছে মাইক হাকিম মশাই হেঁকেছেন আলুনি খাবার স্বাদে-গন্ধে হয়েছে ভরপুর তেতো হয়েছে মিষ্টি নষ্ট মেয়ের নষ্টের কাহিনী লাগেনি কারোর কষ্ট দড়ি জোটে না বিষ জোটে না মরণ জোটে না তবু জোটে লাঞ্ছনা অপমান ধিক্কার উকিল জোটে না আদালত জোটে না টাকা জোটে না কেস্‌ করবার সমাজের অঙ্গুলি আজ জুটেছে তার কপালে জোটে না মরণ লোহার কালো শেকলে দুর্গন্ধ শকুনের গায়ের গন্ধ আজও তার জীবনে বিশ্বাসের মর্যাদা হানি নিঃসঙ্গ এ ভুবনে- বাঁচতে দাও বাঁচতে দাও বাঁচতে দাও হে সমাজ রোগমুক্ত করো তাকে সরাও এ কুটিল বিশ্বের নোংরা কাজ....!

Important customer care hotline

Image
Important Customer Care Hotline Number & E-Mail Address 1. Citycell : ---> 121 ( For General Info ) ( From Citycell , 0.58Tk./Min Including Vat , 60 Sec Pulse ) ---> 158 ( For Complain Only ) ( From Citycell , Free Of Cost ) ---> +8801199121121 ( From Any Number ) ---> Call Back Service , Write HELP and SEND SMS To 2255 ( From Citycell , 2.30Tk./SMS Including Vat ) ** E-Mail : customerservice@citycell.com ** Contact : http://www.citycell.com/ index.php?pageid=45 2. GrameenPhone : ---> 121 ( For General Info ) ( From GP , 0.58Tk./Min Including Vat , 60 Sec Pulse ) ---> 158 ( For Complain Only ) ( From GP , Free Of Cost ) ---> +8801711594594 ( From Any Number ) ---> +8801710100121 ( For Customers , While In Roaming ) ---> +88029882990 ( From BTCL/TnT ) ** E-Mail : info@grameenphone.com ** Feedback : http:// www.grameenphone.com/customer - service/feedback ** Contact : http:// www.grameenphone.com/contact-us 3. Robi : ---> 123 ( For General Info ...

''কবিতার ডায়রী''

Image
তুই কি আমার সুখ হবি...??? ___________ ছোঁয়া তুই কি আমার সুখ হবি…? একলা পথের সঙ্গি হয়ে…, হাতে হাতে হাত রেখে সুখের স্বপ্নে বিভোর হয়ে…! সুখের একটু পরশ দিবি…? তুই কি আমার কবিতা হবি…? কষ্টের আকাশে ধ্রুবতারা হয়ে... হৃদয়ের ক্যানভাসে স্বপ্ন এঁকে……! নির্ঘুম চোখের স্বপ্ন হয়ে... অন্ধকারে পথ দেখাবি…? তুই কি আমার কষ্টের সঙ্গী হবি…? কষ্ট গুলো জলাঞ্জলি দিয়ে……! আলতো করে অধর চুমিয়ে...! একটু খানি ঠোটের ছোঁয়া দিয়ে…? ভালবেসে জড়িয়ে নিয়ে...? বুকের মাঝে মাথা রেখে……! তোর ভালবাসার উষ্ণ পরশ বুলিয়ে দিবি…? তুই কি আমার ভালবাসা হবি…? ভালবাসার উষ্ণ পরশ দিয়ে... যতন করে ফুল বাগানে...! নিষিদ্ধ সন্ধ্যায় ফুল ফুটাবি?......   ভালবাসি, ভালবাসি -সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ধরো কাল তোমার পরীক্ষা,রাত জেগে পড়ার টেবিলে বসে আছ, ঘুম আসছে না তোমার হঠাত করে ভয়ার্ত কন্ঠে উঠে আমি বললাম- ভালবাস? তুমি কি রাগ করবে? নাকি উঠে এসে জড়িয়ে ধরে বলবে, ভালবাসি, ভালবাসি.. ধরো ক্লান্ত তুমি, অফিস থেকে সবে ফিরেছ, ক্ষুধার্ত তৃষ্ণার্ত পীড়িত.. খাওয়ার টেবিলে ...