Posts

Image
যারা গালিতে একদম অজ্ঞ, তারা এই বইটি পড়তে পারেন! "গালি অভিধান" "গালি অভিধান" নাম দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম এটা হয়তো উপন্যাস হবে! নামকরণটাকে চটকদারি বিজ্ঞাপন ঠাওরেছিলাম কিন্তু আমার ভাবনায় ভুল ছিল। এটা আসলেই গালি অভিধান ! গালি মানে- গালি।  আমরা পথে-ঘাটে যেসব গালাগালি শুনে থাকি, নিজেরা ব্যবহার করি (ইচ্ছায় কিংবায় অনিচ্ছায়) সেসব গালির অর্থ ব্যাখ্যাসহ দেয়া আছে । শুধু তাই নয়, কারুকার্যময় অশ্লীল গালিগুলো দিয়ে বাক্য রচনাও করা আছে । প্রায় হাজার খানেক গালি আছে এই বইটিতে । "বগার পোয়া" গালির অর্থ জানেন ? জানেন না ! তো বসে যান গালি অভিধান নিয়ে... Download Here

শানে দরবারে কাগতিয়া-Shane Darbare Kagatia

যদি কাগতিয়া গলির আমি- বাসিন্দা হতা ম , তবে খলিফায়ে রাসূল গাউছুল আজমের রওজা ধরে- পাঁচ ওয়াক্তে সালাম করিতাম...!! !       মন আমার চাই ছুটে যেতে কাগতিয়া দরবার-" যেথায় আছে খলিলুল্লাহ খলিফায়ে রাসূল (দঃ) এর পাক মাজার...!!! ছকরাতে-মওতে     হাশরের ময়দানে     পড়িব গোলাম বিপদে!    ডাকিবো মুনিব আপনাকে         রাখিও নূরী চরণে...!!!  এই কি শিহরণ! এই কি জাগরণ! এই কি অনুরণন! এই কি অনুপ্রেণ! এই কি স্পন্দন খুশি অগণন!             পেয়েছি মোর্শেদে আজম সার্থক এই জীবন...!!!  

“দেখা দাও ইয়া রাসুলুল্লাহ ”নাতে রাসুল (দ:)

ওগো নবী শোনো এ অধমের ডাক, তোমার লাগি করিতে চাই প্রেমের বাগ। কোথায় আছ ওগো নবী কাম্লিওয়ালা? তোমার প্রেমে এ অভাবী দেওয়ানা। নও গো আমি বকর,ওমর,ওসমান ও আলী, তোমার প্রেমিক ওয়াছকুরুনী,জামী ও রুমী। আরো আছো খলিলূল্লাহ ও তাহাঁর খলিফা মোর্শেদী, আমি করি এ মুনিবের গোলামী। তোমার প্রেমে এ অভাবীর হয়না যেন বিরতি, তোমায় না দেখে হয়না যেন মোর উপরতি। ওগো নবী তুমি আমার জানের জান, তুমি বিনে এ অভাবীরর হাহাকারের প্রাণ। তোমার কত আশেকগণকে দিয়েছ তুমি মোলাকাত, আশেকগণের প্রেমের হয়না আলোকপাত। যুগের গাউছুল আজম কে করিয়াছিলে তুমি বায়াত, দয়া কর এ প্রেমিককে, দাও একবার সাক্ষাৎ। বিশ্ব ধরায় এসেছ তুমি উম্মতের লাগি, তাইতো তোমায় বলা হয় মায়ার নবী। দিদার দিয়ে কর এ আশেকের কপালফেরা, মুনিব গাউছুল আজমের ওসিলায় দিও মোরে দেখা। মেরাজে গিয়ে দেখেছ তুমি স্বয়ং খোদা, এ পাপিরে মূর্তিমান দিয়ে দূর কর হৃদয়ের ব্যাথা। এসো ওগো নবী এ আশেকের নিঝুম নিশির স্বপ্নে, দেখা দাও ইয়া রাসুলুল্লাহ (দ:) তোমার আশেকের অতি প্রেমে। লেখকঃ মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান! মরহুম মাষ্টার কবির আহমদের বাড়ী।সরল,২ নং ওয়ার্ড,বাঁশখালী, চট্ট...

"মৃত্যুশায়ী পিতার নছিহত" - "পূর্বে প্রকাশের পর, শেষপর্ব"

Image
পাবলিসিটিঃ খবরদার! আমাকে জাহির করার জন্য একেবারে ৩/৪টি টেক্সী দিয়ে পাবলিসিটি করাবে না। শুধুমাত্র আশপাশের এলাকা যেখানে আমাকে চিনে সে জায়গাগুলোতে মাইকের ভলিউম/শব্দ ছোট করে পাবলিসিটি করাবে ব্যানারঃ কবরের উপর কোন প্রকারের শোক ব্যানার টাঙ্গাতে দেবে না। এগুলো সব লোক দেখানো। নামাজ-রোজার কাফফারাঃ তরিক্বতে দাখিল হবার পর হতে আমার জানামতে নামাজ-রোজা ক্বাজা বা বাদ যায়নি। কিন্তু এর আগের জিন্দেগীতে কত নামাজ-রোজা বাদ গেছে তার সঠিক পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। তবে মহান মোর্শেদ আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দঃ) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম (রাঃ) কর্তৃক লিখিত “তোহফায়ে আহমদী” গ্রন্থে যে ওমরী ক্বাজার নামাজের নিয়ম পেয়েছি, তার আলোকে ইতোমধ্যে অসংখ্যবার ওমরী ক্বাজার নামাজ আদায় করেছি। এক্ষেত্রে তোমাদের বলা রাখা দরকার- আমার মৃত্যু পূর্ববতী সময়কালিন অসুস্থতা বা অজ্ঞান অবস্থায় যে পরিমাণ নামাজ বাদ যায়, তার একটি হিসাব লিখে তার কাফফারা স্বরূপ কাগতিয়া এশাতুল উলুম কামিল এম.এ.মাদরাসার মিসকিন ফান্ডে দিয়ে দিও। জানাযার নামাজের পূর্বেঃ জানাযার নামাজের পূর্বে আমার যে কোন ধরণের অতীতের খারাপ আচরণের জ...

"রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান"

Image
সবুজ বনায়নে ঘেরা অপূর্ব সৌন্দর্যে ভরা কোদালা চা বাগান, যেখানে গেলে মুহুর্তের মাঝে নিজেকে সতেজ করে দেয়। সবুজের সাথে লুকোচুরি মেঘের সন্ধির অপুর্ব দৃশ্য যে কাউকে অবাক করে দেবে। প্রকৃতির অপূর্ব দৃশ্য দেখে মুগ্ধ করবে পর্যটক প্রেমিকদের। চা বাগানের দৃষ্টি নন্দন ব্রিটিশ বাংলো আর পাখির কিচিমিচির শব্দ বিনোদন প্রেমিকদের মুহুতের্র মধ্যে চাঙ্গা করে তুলবে। চা বাগানের চা শ্রমিকদের দৈনন্দিন চা পাতা তোলার দৃশ্য কার না ভাল লাগে। চা বাগানের পাশ ঘেঁষে লুসাই কন্যা কর্ণফুলীর মন মাতানো ঢেউ সকলের দৃষ্টি কেড়ে নেবে নিঃসন্দেহে । চা শ্রমিকদের ক্লান্তিহীন কর্মযজ্ঞে নিজেকে স্বপ্ন দেখাবে ভবিষ্যত চলার পথ। নগর জীবনের গতিহীন একপেশে ক্লান্তিময় জীবন আপনাকে ভরিয়ে দেবে আনন্দের ছোয়া। এবার ঈদে বেড়িয়ে আসতে পারেন কোদালা চা বাগানে। রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান দেশের শীর্ষ চা-বাগান গুলোর মধ্যে অন্যতম। উৎপাদন ছাড়াও চা বাগানটি ইতিমধ্যেই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে পর্যটন র্স্পট হিসেবে। চা বাগানে প্রতি দিন ছুটে আসছে শত শত ভ্রমন পিপাসু। চা বাগানে পর্যটকদের ভীড়ে মুখরিত হয়ে উঠছে সার্বিক পরিবেশ। বাগানের আর্কষনীয় মন...

"মৃত্যুশায়ী পিতার নছিহত" "পূর্বে প্রকাশের পর, দ্বিতীয় পর্ব"

Image
হযরত ইবনে ওমর(রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যে মুসলমানের অছিয়ত করার মতো কিছু থাকে, তার অছিয়তনামা লিখে না রেখে দুই রাত্রি যাপন করা উচিত নয়। (বোখারী, মুসলিম) । তাই প্রত্যেক মু’মিনের অছিহত লিখে রাখা উচিত। উম্মতে মুহাম্মদী হতে এ আমলটি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উপরে উল্লেখিত হাদিছ শরীফ হতে এর গুরত্ব প্রকাশ পেয়েছে। তাই আমিও তোমাদের সুবিধার্থে এবং আমার নিজের প্রয়োজনার্থে তোমাদের কাছে কিছু নির্দেশ/অনুরোধ জান িয়ে গেলাম। আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে এর উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন! মৃত্য পরবর্তী প্রয়োজনীয় সামগ্রীঃ কাফনের কাপড়, আতর, সুরমা, সাবান, গামছা, খাটের উপর দেবার জন্য ১টি গিলাপ আমার আলমিরায় আছে। তবে গোলাপজল কর্পূর ও আগরবাতি কিনতে হবে। লাশ ধৌত করাঃ আমার রূহানী ভাই তরিক্বতপন্থীদের মাধ্যমে আমাকে ধৌত করাবে। মৃত্যুর খবর পৌঁছানোঃ প্রথমে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফে খবরখানি পৌঁছাবে। এরপর শাখার তরিক্বতপন্থীগণের নিকট এবং এরপর আত্নীয়-স্বজনের কাছে ও আমার ব্যবসায়ী বন্ধুগনের নিকট ফোনে খবর পৌঁছে দিবে। এ ব্যাপারে ...

"মৃত্যুশায়ী পিতার নছিহত"

Image
স্নেহের সন্তানেরা, আমার অন্তরের দোয়া তোমাদের সবার কাছে। বয়সের অনেক পথ পেরিয়ে আজ জীবন –মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে উপনীত হয়েছি। আল্লাহ্‌ই জানেন কখন এ ধরা হতে বিদায় নিব। তোমাদের ছেড়ে চলে যাবার আগে অনেক কিছু বলার ছিল। সময় পেলে বলব। তবে আজ অতি প্রয়োজনীয় কিছু দিক-নির্দেশনা বিশেষ করে আমার মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে যা তোমারা সঠিক কর্তব্যের সাথে আদায় করার চেষ্টা করবে, প্রথমে জানিয়ে রাখি, তোমাদের মাও অতিশয় বৃদ্বা অবস্থায় আছে। আমার বিদায়ের পরমুহূর্ত হতে তোমার মা বিধবা হবেন। তোমাদের কোন বাসনা যেমন আমি কখনো অপূর্ণ রাখিনি, তেমনি তোমাদের মা’র সকল ইচ্ছাগুলোও তোমারা সর্বোচ্চাকারে পূরণ করার চেষ্টা করবে। তোমাদের মা’র মনে এ ধারনা যাতে না জন্মায় যে, আজ আমার স্বামী নেই বলে ছেলেমেয়েরা আমাকে অবহেলা করছে। আমার বিশ্বাস তোমাদের উপর অফুরন্ত, এরপরও সজাগ থাকার জন্য বলা হলো। সে-ই যুবক জীবন হতে বিরতিহীন চেষ্টা-সাধনা, দৌড়-ঝাপ, দিন-রাতের পরিশ্রম সবকিছুই করেছি সার্বিক জীবনের জন্য। এই ছোট জীবনটাতে অনেক পেয়েছি-অর্থ, সম্মান ও খ্যাতি। মোটকথা, সুখশান্তির অঢেল সম্রাজ্যের অধিকারী না হলেও আল্লাহর রহমতে মোটামুটিভাব...