Posts

"পুরুষ সেক্রিফাইজ করে দাতা হয়" আর "নারী হয় দাসী"

Image
দেশের সিংহভাগ মেয়েরাই ফ্যামিলির সুখের জন্য বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে টাকাকে বিয়ে করতে হয়।আই রিপিট টাকাকেই বিয়ে করতে হয়।আমি বলছিনা আমাদের বাবা-মারা আমাদের ভালো চায়না।অবশ্যই আমাদের ভালো চায় তবে কিছু কিছু সময় সন্তানদের ভালো চাইতে গিয়ে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটাই ওনারা করে ফেলেন। . পুরুষ সমাজে সগৌরবে বলে থাকে পুরুষরাই জীবনে সবচেয়ে বেশি সেক্রিফাইজ করে।হ্যা আমিও মানি কারন পুরুষরা জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় তার পরিবারের জন্য বিসর্জন দেয় বা দিচ্ছে। . তারপরও পুরুষের স্বাধীনতা আছে।আপনার যাকে ইচ্ছে তাকে বিয়ে করতে পারবেন নিজের পছন্দমত।একটা মানুষ সব দিয়ে দিতে পারে তবে নিজেকে দিয়ে দেয়াটাই সবচেয়ে বড় বিসর্জন। . একটু ভালোভাবে খেয়াল করলেই দেখবেন ছোটবেলা থেকে ছেলে মেয়ে উভয়ই তাদের পছন্দমতো সব করে কাপড়-চোপড় থেকে শুরু করে সবটাই নিজের পছন্দে কিনে।আর সেটাই সে বেছে নেয় যেটা তার জন্য বেষ্ট।  . কিন্তু একটা মানুষ একটা মানুষের সাথে আজীবন এক বিছানায় থাকবে।মানুষটার সাথে পথ চলবে যখন ইচ্ছে মানুষটাকে ভোগ করবে আর সেই মানুষটাকে যদি পছন্দ করতে হয় পরিবারের কথা ভেবে তখন? . এত বড় বিসর্জন কখনো কোন পুরুষ করতে পারবেনা কারন পুরুষ সেক্...

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা "বীরঅলর ভূমি চাটগাঁ'

Image
উঁইন্নু না তোঁয়ারা হনোদিন সূর্যসেনঅর নাম? জীবন দিয়িল দেশঅর তরে প্রীতিলতা-ক্ষুদিরাম কেল্লা গাঁড়ি লড়াই গইজ্জি সৈনিক তিতুমীর, শহীদ অইয়েরে পরান দিয়ি চাটগাঁর হতো বিদ্রোহী মহাবীর প্রকৃতির প্রেমত মজি-গেই আঁই এই লাল সবুজুর দেশে, গান গায় গেইয়ি শেফালী-শ্যামসুন্দর আরো হতো ফইর-বাউল বেশে! থিয়েই আছে মঞ্চঅত আইজু জহুর আহমদ চৌধুরী বারবার উঁনি চাটগাঁর ইতিহাসত মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাণী! লালডির ময়দানত হান পাতিলি উঁনা যায়  বঙ্গবন্ধুর সেই তেজোদীপ্ত ভাষন ; ‘তোরা দেখিস, যেদিন আমার চট্টগ্রাম জাগবে সেদিনই  আমার বাঙালি জাগবে, আমার স্বাধীনতা আসবে, আমার বিজয় আসবে... যেই দেশত গুলিবিদ্ধ শেখ মুজিবুর দেহ, আশা ন গরি এডে কিয়ার আদর-প্রীতি স্নেহ! স্বপনত দেহি নিশী রাতিয়ে নব জোয়ান ময়দানে, মুক্তি তোয়ায় দিনুত রাজপথঅত মিছিলুর শ্লোগানে! লউর ঢেউ বাইয়ে বউত স্বাধীনতাহীন রণে, আপোষ নঅ গরে হনোদিন চাটগাঁয়াঅল শত্রু-অক্কুমুর সনে! ইউসুফ জোলেহার কাব্য'অত বাঁচি আছে কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর,  চাটগাঁইয়ে পুয়া-বুড়োর মনত গাঁথি আছে হতো সুর আব্দুল গফুর হালীর! একদিন মলই ঘোষ দস্তিদার গায়িল ; "অভাই আঁরা চাটগাঁইয়া নও জোয়ান দইজ্জের...

"পরীর সাথে দাদির কথপোকথন"

Image
দাদি : ও পরী,  ওওওওওওও  পরী?  পরী : হুম বলো দাদি শুনছি তো!  দাদি : এ্যাঁই, তুই নাকি প্রেম করিস?  পরী : হ্যাঁ করি তো, এটা তো এখন সবাই করে তাই আমিও করি! দাদি : প্রেমিক পুরুষ কিছু চায় তোর কাছে?  পরী : হুম চায় তো, চাইবেনা কেন, আমার কাছে না চাইলে আর কার কাছে চাইবে?  দাদি : ওওওও বুচ্ছি,  আচ্ছা, ও পরী,  কি কি  চায় রে তোর প্রেমিক পুরুষ?  পরী : ছেলেটা বড্ড নিরামিষ, একটু ভালোবাসা পেলেই তুষ্ট!  দাদি : তো সেটা কি, কিরাম ভালোবাসা রে?  পরী : এই তো ধরো, সকালে কাজে যাওয়ার আগেই আমার পক্ষ থেকে  একটা ফোন, কল অথবা একটা  শুভ সকাল জানিয়ে মেসেজ তাকে দিতেই হবে, এটা সে চায়! কখনো অসুস্থ হলে দিনে কয়েকবার তার খবর নিই এটা ও চায়, সে আরো চায়,রোজ তার খবর যেন আমি রাখি, অবশ্য একবারই তো বললাম বড্ড নিরামিষ, অল্পতেই তুষ্ট! প্রেমিক সামলাতে আমার একদম হিমশিম খেতে হয়না মুটেও! খুব স্বাভাবিক একটা মানুষ, মনটাও ভিষণ বড়ো! আমার মায়ের চয়েস আছে সেটা বলতেই হয়! দাদি : কি বললি, তোর মায়ের চয়েস মানে? এ আবার কিরাম কথা রে বাবা!  আচ্ছা বাদ দে।  তো...

অ'বা তুই নাই বলে (ডায়েরি থেকে)

Image
অ'বা তুই নেই বলে...          খুব প্রভাতে, আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম বলে  যখন মুয়াজ্জিনের আযানের ধ্বণি ভেসে আসে! তখন কেউ আর বলেনা অডা অ'পুত উঠি যা, নামাজ পড়ে একটু হেঁটে আই! আমি ২০০ টাকা দিলে কেউ আর  ৫০০ টাকার বাজার করে নিয়ে আসে না, *দুপুরে ভাত খেতে বাসায় না গেলে কেউ দোকানের সামনে এসে জিজ্ঞেস করে না; "অ'বা অ'পুত ভাত হাতি'কা ন য'অস" আমি তোর জন্য পছন্দের মাছ নিয়ে গেছি😭 শুধু তুই নেই বলে 'অ'বা' তুই নেই বলে 'মা' বিধবার সাজে হয়ে গেছে নিথর নিশ্চুপ, আত্মীয়-স্বজন আর বোনরাও কেউ আসেনা আগের মত আমাদের কাছে তুই অ'বা নেই বলে! অ'বা তোরে মনে পড়ে রেখে যাওয়া হাজার স্মৃতির ভিড়ে! যখনই তোর রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলোর দিকে তাকাই মনে হয় তুই আছিস! যখন খাঁ মসজিদে যাই, প্রথম কাতারের ডান দিকে আমার চোখ চলে যায়, মনে হয় তুই মাথা ঝুঁকে বসে আছিস, মনে হয় এই তো আমার চোখে চোখ পড়ে যাবে তোর...  কিন্তু অকস্মাৎ যখনই মনে পড়ে তুই নেই ব্যাথায় বুকটা যায় ভেঙ্গে! বলত অ'বা কোন দোষে তুই? আমাদের ফেলে গেলি একাকী  ঐ দূর আকাশে! চির বিদায় দিয়ে এ নশ্বর পৃথিবীকে! তুই ...

গল্পটা টাকার নয় 'সততার'

Image
বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে যাওয়া/চলে আসা নতুন কিছু নয় আমার সাথে! ভুলক্রমে আমার অনেক টাকা লস দিতে হয়েছে, আমার জীবনে শুধু একবার ভুলে ভুল নাম্বারে চলে যাওয়া ১০,২০০ টাকা নোয়াখালীর একজন ব্যক্তি ১২০০ রেখে বাকি ৯০০০ টাকা ফেরত দিয়েছেন (অবশ্য আমি বলছিলাম ৫০০ টাকা রেখে দিতে) তাও উনার প্রতি আমি এখনো কৃতজ্ঞ... গত ১১ সেপ্টেম্বর আমার পারসোনাল বিকাশ নাম্বারে ২০,৪০০ টাকা ঢুকলো, স্বাভাবিকভাবেই আমি মনে করছি পরিচিত কারো টাকা, পরে খোঁজ করবে! একদিন পর, ১২ সেপ্টেম্বর, সকাল ১১টার দিকে অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসলো একটা মেয়ে কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বললো,- আসসালামু আলাইকুম, ভুলে আপনার নাম্বারে ২০ হাজার টাকা চলে গেছে, (খুব বিনয়ের সাথে বললো কান্নার জন্য কথা বলতে পারছে না! আমি বললাম,- আপনি কাঁদছেন কেনো? আপনার টাকা এসে থাকলে পেয়ে যাবেন, আপনি কোত্থেকে বলতেছেন? মেয়েটা বললো,- শরিয়তপুর, আমি বললাম,- আমি ব্যালেন্স টা একটু চেক করে আপনাকে ফোন দিচ্ছি! দোকানে কেউ না থাকায় আমি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পরি, ততক্ষণে মেয়েটা শখানেক কল দিয়েই যাচ্ছে,! কল রিসিভ করার পর, মেয়েটা বললো,- ভাইয়া টাকা টা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা নাম্বারে পাঠা...

বাবার সাথে ঘুরেবেড়ানো ছোটবেলার অন্যন্য এক স্মৃতি (ডায়েরি থেকে)

কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ প্রথম যাওয়ার স্মৃতি টাও বাবার সাথে... ২০০২ কিংবা ২০০৩ সাল, আমার বয়স ৭ কিংবা ৮ বছর, জুমাবার, মুষলধারে বৃষ্টির হচ্ছে, আমি, বাবা, মা, ফুফু, ফুফাতো ভাই (সালাউদ্দিন, মহিন ভাইয়া), এসকান্দর মামা, জিপ থেকে নেমে বাবা আমাকে একহাতে বুকে জড়িয়ে নিলো আরেকহাতে মাথায় ছাতা ধরে হেঁটে চললো দরবার শরীফের দিকে! দরবার শরীফে পৌঁছার পর বাবা, এসকান্দর মামা, মহিন ভাইয়া মসজিদে চলে গেলো, আমি আর সালাউদ্দিন মা আর ফুফুর সাথে 'কাতিব মঞ্জিলে' চলে গেলাম, সেখানে ফাতেমায়ে ছানী জামানার রাবেয়া বসরী রূহানী আম্মাজান (রহঃ) এর চরণ যুগল ছুঁয়ে ধন্য হলাম, *সে বছর 'গাউছুল আজম রাদিআল্লাহু আনহু' দরবার শরীফে ছিলেন না দেশের বাইরে ছিলেন... সেদিন বিকেল বেলা বৃষ্টি থামলো, বাবা হাত ধরে আমাকে দরবার শরীফের পশ্চিমে হালদা নদীর তীরে (আজিম্মের ঘাট) নিয়ে গেলো, আমার এখনো স্পষ্ট মনে পড়ছে বাবা আমাকে বলছে * 'আঁর পুয়ারে বড়ো মাছঅর খেলা দেহাইয়ুম' অর্থাৎ সে ঘাটে ডলফিনের আনাগোনা থাকতো এর পর যখনই দরবার শরীফে যেতাম ওদিকে গিয়ে ডলফিনের খেলা দেখতাম! *বাবা কর্ণফুলী জুটমিলে কর্মরত থাকাকালীন,  কর্ণফুলী জ...

সে এক 'ছায়ার' কথা বলছি, বলছি বাবার কথা (ডায়েরি থেকে)

আমার একটা গাছ ছিলো; গাছটি আমাকে ছায়া দিতো বাতাস দিতো, অক্সিজেন দিতো! একদিন আচমকা এক ঝড়ো হাওয়ায়  'গাছ'টা হারিয়ে গেলো... এখন আমার মাথার উপরের ছায়া নেই, জীবনের প্রচণ্ড তাপে বাতাস নেই, আমার অক্সিজেন কই? আমার গাছটা নেই... *আমার বুকটা দীর্ঘশ্বাসে ভারি হয়ে আসছে... *‘ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আমানুসতাঈনু বিসসবরি ওয়াস সলাতি; ইন্নাল্লাহা মাআস সাবিরিন... #আঁর_বাপ #নোট১১

বাবাকে নিয়ে লেখা 'কবিতা' | চাটগাঁইয়া | (ডায়েরি থেকে)

তোল্লই হাডাইদি অ'বা দিন ইয়িনুর হথা আইলি মনত, হাঁদানি আইয়ি বুক ফাডি, হইলজে যাইদে ছিড়ি, আঁরে রাহি তুই ক্যানে গেলিগুই আল্লারত? তোর ঐ আঁসিমুখ, দুনিয়ে ফরাই-ফেলানোর মত চোখ আঁই কি আর ন পাইজ্জুম চাইত? অ'বা আঁরে কিল্লে রাই গেলি বিচ্ছেদ সাইগরত... 😭😭😭 #আঁর_বাপ #নোট১২

মসজিদের প্রথম কাতারে বাবাকে খুঁজি (ডায়েরি থেকে)

মসজিদের প্রথম কাতারে (উত্তর দিকে) অ'বা খুঁজি তোকে... সবি আছে, একি কাতারে তোর সাথে বসা মানুষগুলোকেও দেখি, শুধু কোথাও তোকে দেখি না... *চলে যেতে এত তাড়াহুড়া করলি কেনো? আমি বুঝতে পারলাম না, আমি ব্যার্থ একটা ছেলে ছিলাম তোর, ক্ষমা করবি না আমাকে? তোর বিচ্ছেদ আমি আর সইতে পারছি না, ঘরে বাইরে কোথাও আমি তাকাতে পারছি না, সবখানে তুই... *আল্লাকে বলে আমাকে নিয়ে যা তোর কাছে খুব তাড়াতাড়ি নিয়ে যা... *তুই মানুষকে বলতি; 'আমার জন্য আমার ছেলে, 'আমার ছেলের জন্য 'আমি'! এখন আমার জন্য রইলো কে? 😭😭😭 #আঁর_বাপ #নোট১৩

বাবার স্মৃতিচারণ (ফেইসবুক পোস্ট)

Image
খাঁ মসজিদের পুকুর ঘাট আর এই মানুষগুলোকে দেখলে আমার কলিজা ছিড়ে যাই! ' খাঁ মসজিদ', পুকুর ঘাট, জায়নামাজ, বাবার সঙ্গী, সবাই আছে! শুধু বাবা নেই... বাবা জীবনের শেষ সময়গুলো 'খাঁ মসজিদের পুকুর ঘাট' আর এই মানুষগুলোদের সাথে কাটিয়ে গেল... *এই মানুষটা বাবাকে নিয়ে 'স্মৃতিচারণ' করতে গিয়ে, 'বাবা সবাইকে বলত; 'আঁর পুয়ার লাই আঁই', 'আঁর লাই আঁর পুয়া'! * সৈয়দুল মুরসালিন রহমতুলল্লিল আলামিন, গাউছে আজম বড়পীর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, কাগতিয়ার গাউছে আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর উছিলায় আমার পিতাকে মহান স্রষ্টা জান্নাতে আলা মকাম 'জান্নাতুল ফেরদৌস' ও প্রিয় রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার সাক্ষাৎ নছিব করুক... *আমার বাবার 'প্রিয়মুখ-প্রিয়জন' যারা জীবিত আছেন স্রষ্টা সকলের হায়াতে অফুরন্ত বরকত দান করুক... _আমীন #আঁর_বাপ #নোট১৪

বাবাকে নিয়ে লেখা কবিতা | চাটগাঁইয়া | (ডায়েরি থেকে)

আঁই ত আছিলাম অ'বা তুর নয়নর মনি হৃদয় জুড়ি আছিল তুর ভালোবাসার হ'নি... তুই অ'বা আজিয়ে নাই সুখ-দুক্কে আঁর ওয়াঁরে তুই নাই অ'বা ভাবতেই দুই চোখুত শ'ওন (শ্রাবণ) মাসঅর ধারা নামে... 😭😭 #আঁর_বাপ #নোট১৬

বাবাকে নিয়ে লেখা হয়নি যে কথা

ছেড়া লুঙ্গিকে কীভাবে ভাজের মধ্যে লুকিয়ে পরতে হয় বাবার কাছ থেকে শিখেছিলাম! অনেক যত্ন করে লুঙ্গি পরতো বাবা! এক লুঙ্গিতে তিন চার বছর অনায়াসে পার করে দিতো! ছোটবেলা থেকে বাবার পরনে নতুন লুঙ্গি ঠিক কখন দেখেছি আমার মনে পড়ে না! ঈদের আগে পুরোনো পাঞ্জাবি খানা বের করে দিতো মা! ধোপার বাড়ি ঘুরে এসে সেই পাঞ্জাবিই ঝকঝকে ঈদের পোশাক হয়ে উঠত! নিজের জন্য নতুন কাপড়, এটা যেন বাবা ভাবতেই পারতো না! এটাকে স্রেফ বিলাসিতা আর অনর্থক অর্থ অপচয়ের কাতারেই রাখতো... বাবার জীবন-যাপন সবটুকুই ছিলো আল্লাহর ওয়াস্তে! নিজের জন্য কিছুই করেনি, বরং নিজের আইল কেটে পরের জমি বড় করেছে সারাজীবন... আমার গরীব বাবার ঠোঁট জোড়া মধুর না হলেও অন্তরটা ছিলো বিশাল, হৃদয়টা ছিলো কোমল! অভিমান ছিলো বাবার তীব্র, বাবা হুটহাট অভিমান করতো মার সাথে, আমার সাথে, কাউকে কিছু না বলে প্রায়ই চলে যেত বোনদের বাসায়! রাতে গিয়ে যদি বাবাকে না দেখতাম, মাকে জিজ্ঞেস করতাম; বাবা কোথায়? মা বলতো; তোর মেজো আপার কাছে গেছে, সকালে চলে আসবে! 😭😭 বাবার অভিমান দিন পেরিয়ে, রাত গড়িয়ে সকাল পর্যন্ত থাকতো, সেই যে বাবা চলে গেলো অভিমান করে  'আজ ৪১টা দিন' হয়ে গেলো 'বাবা...

বাবাকে নিয়ে লেখা (আমার ডায়েরি থেকে)

"বন্ধু নাইরে বান্ধব নাই, আল্লাহ ছাড়া উপায় নাই, মুয়াব্বত'অর মানুষ পাইয়ুম হোন জায়গাত যাই"...? এই লাইনগুলি বাবা গাইতো, পরের লাইনগুলি আমার মনে পরছে না! আমি ছাড়া বাবার আর কোনো দুঃখ বা চিন্তা ছিলো না, হারদিন আমাকে নিয়েই ভাবতো, আমার চিন্তা করতো!😭 বাবা লাইনগুলি কেনো গাইতো আমি জানি না, লাইনগুলি গাইতে শুনলে আমি রাগ করতাম, বাবা আমাকে বলতো; তোকে বলছি না অ'পুত, তুই কেনো রাগ করছিস? বাবার কন্ঠ সুমধুর, সকালে বাবার সুমধুর কন্ঠে 'দরূদে মোস্তফা' শুনে আমার ঘুম ভাঙতো! বাসায় কেউ না থাকলে কোন কোন সময়, আমি নামাজ পড়ে হাঁটতে গেলে, বাবা রুটি বানিয়ে রাখতো, চা করে রাখতো! আহা বাপ, হারিয়ে গেলি স্মৃতি গুলো রেখে, আমায় কাঁদিয়ে... তুই চলে যাওয়ার পর প্রতিটা রজনী অশ্রুই ফজর হয়েছে! তুই আমার স্বপ্নে আসিস না, এই ৪৬ দিনে শুধু একদিন আমার স্বপ্নে এসেছিলি... আমার ঘুম হয়না, তুর কাশির শব্দ শুনি না, রাত-বিরাতে রেডিওটা কেউ আর বাজায় না... আমিও আর বলি না "আঁর বাপ কি'রদ্দে এদ্দুর রাতিয়ে? অ'বা, পত্তিদিন রাতিয়ে আঁর হোয়াপত আইস, আঁরে এক্কানা দেহা দিয়ারে তুই যাইস... *“রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানি...

বাবার স্মৃতি

Image
প্রায় অর্ধ-শতবছর পুরোনো কাশ্মিরী এই শালটা 'দাদা'কে তার কোন এক প্রিয়জন উপহার দিয়েছিলো! অনেকটা ছেড়া-ফাটা এই শালটা 'দাদা'র' মৃত্যুর পর 'বাবার' কাছে খুব যত্নে ছিলো! এই শালটায় 'দাদার' আর বাবার গন্ধ পাই... *তারা হারিয়ে যাই, তাদের স্মৃতি আমায় দিবানিশি কাঁদায়...

কথা ও টাইপোঃ ফেরারী রুবেল

Image
#picture from: pinterest
Image

আকাশ আর টুনটুনির কথোপকথন"(১)

টুনটুনিঃ- শোন , একটা খুব সিরিয়াস কথা আছে! . আকাশঃ- তুমি প্লিজ কোন কথার আগে "সিরিয়াস" শব্দটা লাগিয়ো না! . টুনটুনিঃ- কেনো , কেনো? . আকাশঃ- তুমি সিরিয়াস হলে আমার ব্লাড প্রেসার লো হয়ে যায়! . টুনটুনিঃ- ফাযলামো আমার পছন্দ না। সিরিয়াস কথায় আসি! . আকাশঃ- হুম! . টুনটুনিঃ- আমার মনে হচ্ছে তুমি খুব টেনশনে আছ! . আকাশঃ- কিভাবে বুঝলে? . টুনটুনিঃ- আমি হচ্ছি বাড়ির বড় মেয়ে। বাড়ির বড় মেয়ে হয়ে নিজ বয়ফ্রেন্ডের টেনশন বুঝতে না পারলে লোকে কি ভাববে? . আকাশঃ- সেটাই! . টুনটুনিঃ- শোন , বিয়ের পর আমি তোমার সংসার দেখাশোনা করতে পারব কিনা তা নিয়ে তোমাকে মোটেও চিন্তা করতে হবে না! . আকাশঃ- সত্যি? . টুনটুনিঃ- হ্যা, আমি হচ্ছি বাড়ির বড় মেয়ে। বাড়ির বড় মেয়ের প্রথম ফরয কাজ হচ্ছে বরকে টেনশন মুক্ত রাখা! . আকাশঃ- তোমার কথা শুনে আমার ভেতর থেকে কেমন শান্তি শান্তি লাগছে! . টুনটুনিঃ- আরো ভালো লাগবে। আগে পুরোটা শেষ করি? . আকাশঃ- হুম! . টুনটুনিঃ- তুমি কি ভেবছ আমি তোমার বউ হলে তোমার সংসার এবং তোমাকে দেখাশোনা করতে পারব না? . আকাশঃ- হ্যা! . টুনটুনিঃ- আজ থেকে এসব মোটেও ভাববে না। তুমি ...

“এক কাপ চায়ে তারা দুজন”

বিছানার চাদর শরীরে জড়ানো অবস্থায় ঘুমঘুম চোখে পিংকী বললো, পিংকীঃ- এই আকাশ--? আকাশঃ- [আকাশের আবেশিত স্বর] হুম বলো! পিংকীঃ- ক'টা বাজে? আকাশঃ- [মৃদু হেসে] এইতো ছ'টা... পিংকীঃ- তবে আমি উঠে চা দিচ্ছি-- আকাশঃ- হুম দাও... পিংকী চোঁখ খুলতেই বিছানার পাশে রাখা মোবাইলে ইমো ভিডিও কলে আকাশের মুখটা দেখেই অবাক হয়ে গেলো! তারমানে ও এতক্ষণ পূর্বেই কানেক্ট করে রাখা ভিডিও কলের মাধ্যমে সব দেখে শোনে কথা বলছিলো! পিংকী অবাক হয়ে কপালকুঞ্চিত করে দ্রুত জিজ্ঞেস করলোঃ পিংকীঃ- এই তুমি কই? আকাশঃ- কর্মস্থলে (অফিসে), আবার কোথায় থাকব? পিংকীঃ- এত সকালে-!? বলেই পিংকী ঘড়ির দিকে তাকিয়ে 9:30 দেখে! তারমানে আকাশ ওকে মিথ্যে বলেছে যে ৬ টা বাজে আবার ওকে ডাক না দিয়ে এভাবে অফিসেও চলে গেছে, তাই ওর উপর ভিষণ রাগ করে কলটা কেটে দেয়! অতঃপর খাট থেকে নেমে সামনে পা বাড়াতেই চিরকুট-- "জানতামতো কলটা কেটে দেবে, যাও দাঁত ব্রাশ করে নাও। পাশের টেবিলে ব্রাশ পেষ্ট রাখা আছে" ব্রাশটা হাতে নিয়ে মুচকি হাসে পিংকী, কিন্তু পেষ্ট হাতে নিতেই ওটার নিচের চিরকুটটা চোখে পড়ে-- "হেসো না, ফ্রেশ হয়ে অাস আগে...

শানে দরবারে কাগতিয়া ভলিউম ৫২

Image
শানে দরবারে কাগতিয়া" ঐতিহাসিক গাউছুল আজম কনফারেন্স'২০১৯ সংখ্যা ভলিউম ৫২" যারা এখনো পান নাই এই লিংকে গিয়ে ডাউনলোড করে নিন  এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন বিঃদ্রঃ অবশ্যই প্রকাশনা পরিষদে ৩০ টাকা নিজ দ্বায়িত্বে জমা দিবেন, অন্যথায় দাবি থাকবি...
Image
যারা গালিতে একদম অজ্ঞ, তারা এই বইটি পড়তে পারেন! "গালি অভিধান" "গালি অভিধান" নাম দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম এটা হয়তো উপন্যাস হবে! নামকরণটাকে চটকদারি বিজ্ঞাপন ঠাওরেছিলাম কিন্তু আমার ভাবনায় ভুল ছিল। এটা আসলেই গালি অভিধান ! গালি মানে- গালি।  আমরা পথে-ঘাটে যেসব গালাগালি শুনে থাকি, নিজেরা ব্যবহার করি (ইচ্ছায় কিংবায় অনিচ্ছায়) সেসব গালির অর্থ ব্যাখ্যাসহ দেয়া আছে । শুধু তাই নয়, কারুকার্যময় অশ্লীল গালিগুলো দিয়ে বাক্য রচনাও করা আছে । প্রায় হাজার খানেক গালি আছে এই বইটিতে । "বগার পোয়া" গালির অর্থ জানেন ? জানেন না ! তো বসে যান গালি অভিধান নিয়ে... Download Here